গ্রামের শিক্ষকের গোপন আবেগ

নীলয় যখন প্রথমবার গ্রামের হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছিল, তখন তার মাথায় কেবল একটা চিন্তাই ছিল—নিজের ক্যারিয়ার এবং নতুন এক পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়া। সুঠাম দেহ, ফর্সা গায়ের রং আর গম্ভীর চশমার আড়ালে ঢাকা দুটো তীক্ষ্ণ চোখ তাকে গ্রামের অন্য পুরুষদের থেকে একদম আলাদা করে তুলেছিল। গ্রামের স্কুলে তার মতো একজন মার্জিত এবং সুশিক্ষিত তরুণের পদার্পণ যেন এক নতুন হাওয়া নিয়ে এসেছিল। কিন্তু সে নিজেও জানত না, এই গ্রামেই তার জীবনের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন অপেক্ষা করছে।

¦Ëk¢xz˲Úèžé

 

নীরা ছিল সেই স্কুলেরই একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। গাঁয়ের সবুজ প্রকৃতির মতোই সতেজ, ডাগর ডাগর কালো চোখ আর কাজল-কালো চুল। তার মিষ্টি হাসিতে যেন পুরো ক্লাসরুম আলো হয়ে উঠত। নীরা চঞ্চল হলেও নীলয়ের গম্ভীর ব্যক্তিত্বের সামনে এসে কেমন যেন চুপসে যেত। নীলয়ের পড়ানোর ভঙ্গি, তার সুন্দর স্পষ্ট উচ্চারণ আর কথা বলার ঢং নীরাকে প্রতিদিন একটু একটু করে মুগ্ধ করত। তবে নীলয় শিক্ষক হিসেবে বেশ কড়া ছিল। কিন্তু এই কড়াকড়ির ভেতরেও নীরার প্রতি তার এক ধরনের অদৃশ্য দুর্বলতা তৈরি হচ্ছিল, যা সে কঠোরভাবে চেপে রাখার চেষ্টা করত।

¦Ëk¢x/춺'ƒú

 

স্কুলের ক্লাসরুমে নীলয় যখন ব্ল্যাকবোর্ডে চক দিয়ে লিখত, তখন নীরার নজর থাকত নীলয়ের চওড়া পিঠ আর হাতের পেশির দিকে। নীলয়ের কণ্ঠের গম্ভীর টোন নীরার কানে এক অদ্ভুত শিরশিরানি সৃষ্টি করত। নীরা বুঝতে পারত, স্যারকে সে কেবল শিক্ষক হিসেবে দেখছে না; তার কিশোরী মনে এক অজানা অনুভূতির জন্ম নিচ্ছে। অন্যদিকে, ক্লাসে হাজারটা ছাত্রছাত্রীর ভিড়েও নীলয়ের চোখ বারবার গিয়ে আটকাত নীরার ওপর। নীরার সুঠাম গড়ন, সূতি শাড়ির ভাঁজে লুকিয়ে থাকা তার শরীরের স্বাভাবিক সৌন্দর্য আর লাজুক চাউনি নীলয়কে ভেতরে ভেতরে অস্থির করে তুলত। তবুও, শিক্ষক-ছাত্রীর সম্পর্কের সীমানা সে কখনোই ডিঙাতে চায়নি।

 

ঘটনার মোড় ঘোরে যখন নীরার বাবা নীলয়কে অনুরোধ করেন নীরাকে বাড়িতে গিয়ে আলাদা করে প্রাইভেট পড়ানোর জন্য। সামনেই পরীক্ষা, তাই নীরার বাবাপত্র নীলয়ের ওপর ভরসা করেছিলেন। নীলয় প্রথমে কিছুটা ইতস্তত করলেও শেষ পর্যন্ত রাজি হতে বাধ্য হয়।

 

প্রতিদিন বিকেলে নীলয় নীরার বাড়িতে গিয়ে বসত। নীরার ঘরটা ছিল একদম নির্জন, পেছনের দিকে বাঁশঝাড় আর সুপারি গাছের সারি। পড়ানোর সময় নীলয় যখন নীরার একদম কাছে এসে বসত, তখন নীরার গা থেকে আসা এক মিষ্টি, সতেজ সুবাস নীলয়ের মগজে ঝিম ধরিয়ে দিত। নীরা যখন ভুল উত্তর দিত, নীলয় তার হাত থেকে কলমটা নিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার সময় অজান্তেই তাদের আঙুল ছুঁয়ে যেত। সেই সামান্য স্পর্শেই নীরার বুকের ভেতর দোলা উঠত, নিঃশ্বাস ঘন হয়ে আসত।

 

একদিন বিকেলের ঘটনা। আকাশটা হঠাৎ করেই কালো মেঘে ঢেকে গেল। কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হলো মুষলধারে বৃষ্টি। কড়কড় শব্দে বাজ পড়ছিল। ঘরে অন্য কেউ ছিল না, নীরার আম্মা পাশের বাড়িতে গিয়েছিলেন অসুস্থ এক আত্মীয়কে দেখতে। ঝড়-বৃষ্টির কারণে ঘরের ভেতর আলো কমে অন্ধকার নেমে এসেছিল। নীলয় টেবিল ল্যাম্পটা জ্বেলে দিল।

 

হলদেটে আলোর নিচে নীরার মুখটা অদ্ভুত মায়াবী লাগছিল। বৃষ্টির কারণে ঘরে হালকা ঠাণ্ডা আমেজ, অথচ নীরা আর নীলয়ের মাঝের বাতাসটা যেন ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছিল।

 

"স্যার, এই অংকটা আবার একটু বুঝিয়ে দেবেন?" নীরা খুব কাছে ঘেঁষে এসে বলল।

 

নীলয় নীরার খাতার দিকে তাকানোর চেষ্টা করল, কিন্তু নীরার ওড়নাটা হালকা সরে গিয়ে তার গলার নিচের কোমল অংশ উন্মুক্ত হয়ে পড়েছিল। নীলয়ের চোখ আটকে গেল সেখানে। তার রক্তে যেন হঠাৎ কাপন ধরল। সে নিজের চোখ সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে গম্ভীর গলায় বলল, "নীরা, ওড়নাটা ঠিক করো।"

 

নীরা চমকে উঠে নীলয়ের দিকে তাকাল। নীলয়ের চোখের ভেতরের তীব্র আকাক্সক্ষা এবং গভীরতা দেখে নীরার বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠল। সে ওড়না ঠিক না করে বরং আরও নীলয়ের দিকে এক ধাপ এগিয়ে এলো। তার বুক দ্রুত ওঠানামা করছিল। সে আলতো গলায় বলল, "স্যার... আপনি কি শুধু পড়াতেই আসেন? আমার দিকে কখনো অন্যভাবে তাকান না?"

 

নীলয় নিজের শিক্ষকতার সমস্ত গাম্ভীর্য ধরে রাখার শেষ চেষ্টা করল। "নীরা, তুমি কী বলছ এসব? আমি তোমার শিক্ষক। সীমা অতিক্রম করো না।"

 

"সীমা তো অনেক আগেই ভেঙে গেছে, স্যার," নীরা সাহসে ভর দিয়ে নীলয়ের খুব কাছে চলে এলো। তার চোখ দুটোতে তখন এক অদ্ভুত নেশা। সে নীলয়ের ডান হাতটা ধরে নিজের বুকের ওপর রাখল। "অনুভব করতে পারছেন? আমার এই স্পন্দনটা শুধু আপনার জন্য।"

 

নীলয়ের হাতের তালুতে তখন নীরার উত্তপ্ত আর দ্রুত ধুকপুক করতে থাকা বুকের স্পন্দন। নীলয়ের ভেতরের পুরুষটি যেন এতদিনের জমানো সংযম হারিয়ে ফেলল। সে এক ঝটকায় নীরাকে কাছে টেনে নিল। তাদের মাঝের সমস্ত দূরত্ব নিমেষেই মুছে গেল। নীলয় নীরার চোখে চোখ রেখে দেখল, সেখানে কোনো ভয় নেই, আছে কেবল এক গভীর তৃষ্ণা।

 

নীলয় তার শক্ত দুটো হাত দিয়ে নীরার কোমর চেপে ধরল। নীরার মুখ থেকে এক হালকা সুবাসিত নিঃশ্বাস এসে আছড়ে পড়ল নীলয়ের ঠোঁটে। নীলয় আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। সে তার ঠোঁট দুটো ডেবে দিল নীরার নরম, ভেজা ঠোঁটের ওপর। নীরা চোখ দুটো বন্ধ করে ফেলল এবং দুহাত দিয়ে নীলয়ের ঘাড় পেঁচিয়ে ধরে নিজেকে সমর্পণ করল। প্রথম চুমুটা ছিল দীর্ঘ, তৃষ্ণার্ত এবং গভীর। বৃষ্টির শব্দের সাথে মিশে যেতে লাগল তাদের ঘন নিঃশ্বাসের শব্দ।

 

নীলয়ের হাত ধীরে ধীরে নীরার সুঠাম পিঠের ওপর নেমে এলো। কাপড়ের ওপর দিয়েই সে অনুধাবন করছিল নীরার শরীরের উষ্ণতা। নীরা শিহরিত হয়ে উঠল, তার শরীর মোচর দিয়ে উঠল নীলয়ের শক্ত বাহুবন্ধনে। নীলয় চুমুটা ঠোঁট থেকে নামিয়ে এনে নীরার থুতনি, গাল এবং তারপর তার দীর্ঘ সুডৌল গলায় বসিয়ে দিল। নীরার মুখ থেকে এক হালকা আহাজারির মতো শব্দ বের হয়ে এলো—"উফফ... নীলয়..."

 

প্রথমবারের মতো নীরা তাকে 'স্যার' না ডেকে নাম ধরে ডাকল। এই ডাকটা নীলয়ের ভেতরের কামনার আগুনকে যেন আরও জ্বালিয়ে দিল। সে নীরার থুতনিটা উঁচু করে ধরে আবার তার ঠোঁটে নিজের ঠোঁট মেলাল, এবার আরও গভীর এবং উম্মাদনায় ভরা। নীরা নীলয়ের শার্টটা খামচে ধরেছিল, তার সারা শরীরে এক নতুন মায়াজাল ছড়িয়ে পড়ছিল।

 

হঠাৎ করেই বাইরে প্রচণ্ড শব্দে বাজ পড়ল। নীরা চমকে উঠে নীলয়কে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। সেই মুহূর্তে নীলয়ের মনে পড়ে গেল সে কে, আর নীরা কে। সে হঠাতই থমকে গেল। অত্যন্ত কষ্টে সে নিজেকে নীরার থেকে আলাদা করল।

 

দুজনেরই নিঃশ্বাস তখন মারাত্মক দ্রুত। নীরা খোলা চোখে নীলয়ের দিকে তাকিয়ে ছিল, তার ঠোঁট দুটো ভিজে লাল হয়ে ছিল, চুলগুলো কিছুটা উস্কোখুস্কো। নীলয় নিজের চশমাটা খুলে হাত দিয়ে মুখ মুছল।

 

"নীরা... এটা ভুল হচ্ছিল," নীলয় কাঁপানো গলায় বলল, যদিও তার চোখ এখনো নীরার রূপের দিকেই আবদ্ধ ছিল। "তোমার পরীক্ষা সামনে। আর আমি তোমার শিক্ষক। এটা আমাদের মানায় না।"

 

নীরা কিছু বলল না, সে শুধু এক দৃষ্টিতে নীলয়ের দিকে তাকিয়ে রইল। তার চোখে কোনো অনুশোচনা ছিল না, ছিল কেবল নীলয়কে পাওয়ার এক তীব্র আকুলতা।

 

নীলয় আর এক মুহূর্তও সেখানে দাঁড়াল না। বৃষ্টিভেজা বিকেলেই সে বই গুছিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। কিন্তু সে জানত, যে আগুনের সূচনা আজ এই নির্জন ঘরে হয়ে গেল, তা সহজে নেভার নয়। নীলয় আর নীরার এই গোপন টান কোন দিকে মোড় নেবে, আর কীভাবে তারা সামাজিক বাধা পেরিয়ে এক হবে, তা কেবল সময়ই বলতে পারত।

 

সেই বৃষ্টিভেজা বিকেলের পর থেকে নীলয় আর নীরার মধ্যকার সম্পর্ক আর আগের মতো রইল না। নীলয় নিজেকে যতটা দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করত, নীরার উপস্থিতি তাকে ততটাই পাগল করে তুলত। ক্লাসরুমে পড়ানোর সময় নীরা যখন একদৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে থাকত, নীলয়ের চক ধরা হাতটা হালকা কেঁপে উঠত। তবে নীলয় নিজের শিক্ষকতার মর্যাদা এবং সামাজিক নিয়মের কথা ভেবে নীরাকে সামনাসামনি কিছুটা এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত নিল। সে বিকেলে নীরার বাড়িতে পড়াতে যাওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিল এবং পরীক্ষার অজুহাত দেখিয়ে নীরাকে ঘরে বসে পড়ার পরামর্শ দিল।

 

কিন্তু নীরা এত সহজে ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী ছিল না। সে নীলয়ের ছোঁয়া, তার গায়ের গন্ধ আর সেই গভীর চুমুর নেশায় বুঁদ হয়ে ছিল। নীলয়ের এই দূরত্ব তৈরি করার চেষ্টা নীরাকে আরও বেশি জেদি করে তুলল। সে জানত, নীলয় তাকে ভালোবাসে এবং চায়, কিন্তু কেবল লোকলজ্জা আর সামাজিক পরিচয়ের ভয়ে পিছিয়ে আসছে।

 

কয়েকদিন পর, গ্রামের এক কোণে অবস্থিত পুরনো জমিদার বাড়ির পাশের বাঁশঝাড়ের নির্জন পথ ধরে নীলয় হাঁটার সময় আচমকা কেউ তার হাত ধরে টান দিল। নীলয় চমকে উঠে তাকাতেই দেখল নীরা দাঁড়িয়ে আছে। পরনে লাল রঙের একটি সূতি শাড়ি, হাতাকাটা ব্লাউজ আর কাজলকালো চোখ। পড়ন্ত বিকেলের নরম আলোয় নীরাকে যেন এক অপ্সরীর মতো লাগছিল।

 

"তুমি এখানে? নীরা, কেউ দেখে ফেললে অনর্থ ঘটবে!" নীলয় চারপাশে তাকাতে তাকাতে বেশ অস্থির হয়ে বলল।

 

"দেখুক কেউ! আমি কাউকে ভয় পাই না," নীরা এক ধাপ এগিয়ে এসে নীলয়ের বুকের সাথে নিজের বুক মিলিয়ে দাঁড়াল। "আপনি কেন আমাকে এড়িয়ে চলছেন? ওইদিনের পর থেকে আমার রাতে ঘুম হয় না, নীলয়। আমার সারা শরীর আপনার ছোঁয়ার জন্য ছটফট করে।"

 

নীলয় নীরাকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করল, কিন্তু নীরার সুডৌল আর উত্তপ্ত শরীরের স্পর্শ পেতে তার নিজের শরীরও যেন অবাধ্য হয়ে উঠল। "নীরা, বোঝো কথাটা। আমি তোমার শিক্ষক। তুমি এখনও একজন ছাত্রী। লোকসমাজ এটাকে কীভাবে নেবে?"

 

"আমি সমাজ বুঝি না, আমি শুধু আপনাকে বুঝি," নীরা নীলয়ের হাতটা ধরে নিজের শাড়ির আঁচলের নিচে তার পাতলা কোমরের ওপর রাখল। "আমার এই শরীর, এই মন—সবকিছু শুধু আপনার। আপনি কি সত্যি আমাকে চান না? নিজের বুকের ওপর হাত রেখে বলুন তো!"

 

নীলয়ের ধৈর্যের বাঁধ এবার পুরোপুরি ভেঙে গেল। নীরার কোমরের মসৃণ ও উত্তপ্ত ছোঁয়া তার মস্তিষ্কে এক তীব্র কামনার উন্মাদনা ছড়িয়ে দিল। সে নীরার কোমর ধরে এক টানে তাকে আরও কাছে নিয়ে এলো এবং পাশেই থাকা এক বিশাল বটগাছের গুঁড়ির সাথে নীরাকে চেপে ধরল।

 

"তুমি আমাকে পাগল করে দেবে, নীরা!" নীলয় গর্জে ওঠার মতো নিচু স্বরে বলল।

 

"করুন না পাগল... আমি তো আপনার হাতেই শেষ হতে চাই," নীরা তার লাল টকটকে ঠোঁট দুটো নীলয়ের ঠোঁটের কাছে তুলে ধরল।

 

নীলয় আর নিজেকে সামলাতে পারল না। সে খিঁচে ধরে নীরাকে চুমু খেতে শুরু করল। এবারের চুমুটা আগের দিনের চেয়ে অনেক বেশি আক্রমণাত্মক আর তৃষ্ণার্ত ছিল। নীলয়ের ঠোঁটের চাপে নীরার ঠোঁট পিষে যেতে লাগল, কিন্তু নীরা তাতে অদ্ভুত এক তৃপ্তি পাচ্ছিল। নীরা তার দুহাত দিয়ে নীলয়ের চুল খামচে ধরে তার মুখের ভেতর নিজের জিব সঁপে দিল।

 

গাছের আড়ালে, নির্জন প্রকৃতির মাঝে দুজনের কামনার আগুন দাউদাউ করে জ্বলে উঠল। নীলয়ের শক্ত হাত দুটো নীরার ব্লাউজের উপর দিয়ে তার সুডৌল বক্ষযুগল চেপে ধরল। নীরা সুখে আর উত্তেজনায় হালকা কোঁকানি দিয়ে উঠল—"উফফ... নীলয়..."। নীলয়ের আঙুলের তীব্র স্পর্শে নীরার উরু কেঁপে উঠল, তার পা দুটো যেন অবশ হয়ে আসছিল।

 

নীলয় চুমুটা নামিয়ে আনল নীরার গলায়, তারপর উন্মুক্ত কাঁধে। ব্লাউজের ফিতা সরিয়ে সে তার ঠোঁট আর দাঁত বসিয়ে দিল নীরার নরম তুলতুলে কাঁধে। নীরা মাথা পেছনে হেলে দিয়ে নীলয়ের শার্ট পিঠের দিক থেকে আঁকড়ে ধরল। নীরার নিঃশ্বাসের উত্তাপ নীলয়ের কানে এসে লাগতেই নীলয় আরও বেপরোয়া হয়ে উঠল। সে নীরার শাড়ির আঁচলটা পুরোপুরি ফেলে দিল। বিকেলের শান্ত বাতাসে নীরার উন্মুক্ত পিঠ আর পেটের অংশ ভেসে উঠল।

 

নীলয় তার মুখ এনে রাখল নীরার মসৃণ পেটের ওপর। সেখানে ছোট একটি চুমু দিয়ে সে হালকা করে কামড় বসাল। নীরা শিউরে উঠে নীলয়ের মাথাটা নিজের পেটের সাথে আরও চেপে ধরল। "আহহহ... নীলয়... অওওও... আর সহ্য হচ্ছে না..." নীরা আধো-বোঁজা চোখে গোঙাতে লাগল।

 

নীলয়ের হাত তখন নীরার শাড়ির কুঁচি পেরিয়ে তার সুঠাম উরুর ভেতরের দিকে এগোতে লাগল। রেশমি ত্বকের স্পর্শে নীলয়ের পুরুষত্ব যেন ফেটে পড়ার উপক্রম হলো। নীরা উত্তেজনায় নীলয়ের শার্টের বোতামগুলো এক এক করে ছিঁড়ে ফেলল এবং তার খালি ছাতি জুড়ে নিজের নখ বসিয়ে দিল। দুজনের শরীরই তখন ঘামে ভেজা, বাতাসে কেবল তাদের ঘন ও দ্রুত নিঃশ্বাসের শব্দ।

 

ঠিক তখনই দূরে কারও পায়ের শব্দ এবং শুকনো পাতা মচড়ানোর আওয়াজ পাওয়া গেল। গ্রামের কোনো চাষী হয়তো জমি থেকে ফিরছিল।

 

হঠাৎ পাওয়া এই শব্দে দুজনই বাস্তব জগতে ফিরে এলো। নীলয় দ্রুত নিজেকে সরিয়ে নিল। তার নিজের জামাকাপড় অগোছালো, নীরাও তখন নিজেকে সামলাতে ব্যস্ত। নীরা দ্রুত তার শাড়ির আঁচলটা গায়ে জড়িয়ে নিল, কিন্তু তার চোখে তখনও এক অনির্বাণ কামনার আলো জ্বলছিল।

 

নীলয় হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, "আমাদের এখনই এখান থেকে যাওয়া দরকার। কেউ দেখে ফেললে বিপদ হবে।"

 

নীরা তার চুলগুলো ঠিক করতে করতে নীলয়ের দিকে তাকিয়ে মিষ্টি করে হাসল। "আজ তো বেঁচে গেলেন, স্যার। কিন্তু কতদিন পালাবেন? আমি যে আপনাকে পুরোটা চাই।"

 

নীলয় কিছু না বলে নিজের শার্টের বোতামগুলো ঠিক করার চেষ্টা করল, যদিও সে জানত নীরার এই জাদু থেকে পালানো তার পক্ষে আর সম্ভব নয়। সে নীরাকে নিরাপদে আগে চলে যেতে বলল এবং নিজে কিছুক্ষণ পর অন্য পথ ধরে গ্রামের দিকে রওনা দিল।

 

নীলয় বুঝতে পারছিল, নীরা কেবল তার ছাত্রী নয়, সে এখন তার অস্তিত্বের সাথে মিশে গেছে। কিন্তু এই সম্পর্কের শেষ কোথায়? গ্রামে তাদের এই গোপন অভিসার যদি প্রকাশ পেয়ে যায়, তবে তাদের দুজনের জীবনই ধ্বংস হয়ে যাবে। নীলয় ঠিক করল, তাকে একটা কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে—হয় নীরাকে চিরতরে ভুলে যেতে হবে, না হয় সব সামাজিক বাধা ভেঙে তাকে নিজের করে নেওয়ার পথ খুঁজতে হবে।

 

জমিদার বাড়ির পেছনের সেই রোমাঞ্চকর বিকেলের পর নীলয় তীব্র অপরাধবোধ আর অধীর আকুলতার এক দোলাচালে দিন কাটাতে লাগল। সে বুঝতে পারছিল, নীরাকে ছাড়া তার পক্ষে বাঁচা অসম্ভব। কিন্তু একজন শিক্ষকের পক্ষে তার অপ্রাপ্তবয়স্ক বা সদ্য একাদশ শ্রেণীর ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক রাখা এবং তা গ্রামে প্রকাশ পাওয়া মানে চরম সামাজিক অপমান। তাই সে সিদ্ধান্ত নিল, আবেগ দিয়ে নয়, বিবেক ও কৌশল দিয়ে পরিস্থিতি সামলাতে হবে।

 

পরদিন সকালে নীলয় নীরার বাড়িতে গেল। তবে এবার কোনো গোপন অভিসারের জন্য নয়, নীরার বাবার সাথে একান্তে কথা বলতে। নীরার বাবা তখন বারান্দায় বসে চা খাচ্ছিলেন। নীলয়কে দেখে তিনি বেশ সম্মান জানিয়ে বসতে বললেন।

 

"আসুন স্যার, বসুন। নীরার পড়াশোনা কেমন চলছে?"

 

নীলয় গম্ভীর হয়ে বলল, "কাকাবাবু, নীরার মেধা ভালো, তবে ওর সামনে উচ্চশিক্ষার অনেক সুযোগ আছে। আমি চাই ও এবার এইচএসসি পরীক্ষাটা ভালোভাবে শেষ করুক। আর... পরীক্ষার পরপরই আমি আপনার কাছে একটা বিশেষ প্রস্তাব নিয়ে আসব।"

 

কাকাবাবু অবাক হয়ে নীলয়ের দিকে তাকালেন। "কিসের প্রস্তাব, স্যার?"

 

নীলয় নিচু স্বরে কিন্তু স্পষ্ট কণ্ঠে বলল, "আমি নীরাকে বিয়ে করতে চাই। তবে তার আগে ও পরীক্ষাটা শেষ করুক। বিয়ের পরও ওর পড়াশোনা থামবে না, আমি নিজে দায়িত্ব নিয়ে ওকে কলেজে পড়াব।"

 

নীরার বাবা কিছুক্ষণের জন্য স্তব্ধ হয়ে রইলেন। নীলয়ের মতো একজন শিক্ষিত, মার্জিত এবং সুচরিত্রের ছেলেকে জামাই হিসেবে পাওয়া যে কোনো সাধারণ গ্রামের বাবার জন্য স্বপ্নের মতো। তিনি মুচকি হেসে বললেন, "আপনি যা বলছেন, তা আমার জন্য সৌভাগ্যের। নীরা পরীক্ষাটা দিক, তারপর আমরা ধুমধাম করে আপনাদের আকদ করিয়ে দেব।"

 

দরজার পাশ থেকে নীরা সব শুনছিল। তার বুকটা আনন্দে আর গর্বে ভরে উঠল। নীলয় যে কেবল তার শরীর চায়নি, তাকে নিজের স্ত্রীর মর্যাদা দিতে চেয়েছে—এই সত্যটা নীরার মনে নীলয়ের প্রতি ভালোবাসা আরও হাজার গুণ বাড়িয়ে দিল।

 

পরের কয়েক মাস দেখতে দেখতে কেটে গেল। নীরা মন দিয়ে পড়াশোনা করে এইচএসসি পরীক্ষা দিল। পরীক্ষার ফলাফল বের হওয়ার পর দেখা গেল সে দারুণ ভালো করেছে। আর কথা মতোই উভয় পরিবারের সম্মতিতে খুব জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে নীলয় ও নীরার বিয়ে সম্পন্ন হলো।

 

বিয়ের রাতে বরবেশে নীলয় যখন ফুল দিয়ে সাজানো ঘরের দরজায় এসে দাঁড়াল, তখন তার হৃদস্পন্দন মারাত্মক বেড়ে গেছে। আর নীরা খাটের ওপর লাল বেনারসি শাড়ি, সোনার গহনা আর মাথায় ঘোমটা দিয়ে বসে ছিল।

 

নীলয় ভেতরে ঢুকে দরজাটা বন্ধ করে দিল। কাঠের বল্টু লাগানোর সেই হালকা শব্দেই নীরার সারা শরীরে এক শিহরণ খেলে গেল। নীলয় ধীরে ধীরে হেঁটে এসে খাটের কিনারে বসল। সে হাত বাড়িয়ে নীরার ঘোমটাটা আলতো করে সরিয়ে দিল।

 

ল্যাম্পের হলদে আলোয় নীরাকে যেন আজ এক স্বর্গীয় রূপসী লাগছিল। তার লাল ঠোঁট, কাজল কালো চোখ আর লজ্জায় লাল হয়ে যাওয়া দুটো গাল দেখে নীলয় বাকরুদ্ধ হয়ে গেল।

 

"অবশেষে তুমি আমার, নীরা," নীলয় ফিসফিস করে বলল।

 

"আমি তো অনেক আগেই আপনার হয়ে গিয়েছিলাম, নীলয়," নীরা লাজুক চোখে নীলয়ের দিকে তাকাল।

 

নীলয় আর দেরি করল না। সে নীরার ভারি গহনাগুলো এক এক করে খুলে টেবিলের ওপর রাখতে লাগল। গহনা খোলার প্রতিটি স্পর্শে নীরার গা শিউরে উঠছিল। গহনা খোলা শেষ হলে নীলয় নীরাকে কোলের ভেতর টেনে নিল। নীরার গা থেকে আসা রজনীগন্ধা ফুল আর আতরের মিষ্টি সুবাস নীলয়ের মগজে কামনার নেশা ধরিয়ে দিল।

 

নীলয় তার ঠোঁট দুটো চেপে ধরল নীরার ঠোঁটে। এতদিন যা ছিল লুকোচুরি আর ভয়ের, আজ তা পূর্ণ স্বাধীনতা পেল। নীলয় অবাধে নীরার ঠোঁট চুষতে লাগল, নীরাও হা করে নীলয়ের জিব নিজের মুখে টেনে নিয়ে এক ব্যাকুল আবেগে সাড়া দিল।

 

নীলয়ের হাত ধীরে ধীরে নীরার বেনারসি শাড়ির আঁচল সরিয়ে তার হাতাকাটা ব্লাউজের হুকগুলোর ওপর নেমে এলো। এক এক করে হুকগুলো খুলে ফেলতেই নীরার সুডৌল, ফর্সা বক্ষযুগল উন্মুক্ত হয়ে উঠল। নীলয়ের চোখ দুটো আকাক্সক্ষায় জ্বলজ্বল করে উঠল। সে আর স্থির থাকতে পারল না, নিজের মুখটা নামিয়ে এনে নীরার স্তনের বোঁটায় কামড় আর চোষনের মেলা বসিয়ে দিল।

 

"আআাহহহ... নীলয়!" নীরা সুখে কোঁকায় উঠে বিছানার চাদর খামচে ধরল। তার বুকটা উঁচু হয়ে নীলয়ের মুখের সাথে আরও লেপ্টে গেল। নীলয় এক হাতে অন্য স্তনটা শক্ত করে রগড়াতে লাগল, আর অন্য হাত দিয়ে নীরার শাড়ির সায়ার ফিতা খুলে ফেলল।

 

নগ্ন শরীরের উত্তাপ যখন একে অপরের গায়ে লাগল, তখন ঘরের ভেতরের তাপমাত্রা যেন বহুগুণ বেড়ে গেল। নীলয় নীরার পুরো শরীরে নিজের ঠোঁট আর জিব দিয়ে মানচিত্র আঁকতে লাগল। গলার ভাঁজ থেকে শুরু করে পেটের নাভি, এবং সেখান থেকে নিচে নীরার সুঠাম, মাখনের মতো মসৃণ উরুতে নীলয় তার উষ্ণ চুমু একে দিতে লাগল।

 

নীরা উত্তেজনায় ছটফট করছিল। তার দুই উরুর মাঝখানটা তখন কামরসে একদম পিচ্ছিল হয়ে উঠেছিল। সে নীলয়ের পিঠে নিজের নখ ফুটিয়ে দিয়ে বলতে লাগল, "আর পারছি না... আমাকে নাও, নীলয়... আমাকে পুরোপুরি তোমার করে নাও!"

 

নীলয় নিজের পরনের পাঞ্জাবি আর পায়জামা খুলে একপাশে ছুঁড়ে ফেলল। তার সুগঠিত ও উত্তপ্ত পুরুষালী শরীর নীরার নগ্ন শরীরের ওপর চেপে বসল। নীলয় নীরার উরু দুটো দুদিকে ছড়িয়ে দিয়ে তার চরম কামনার কেন্দ্রে নিজের উত্তপ্ত পুরুষত্ব স্পর্শ করাল। নীরা সুখে এক দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

 

নীলয় ধীরে ধীরে, অত্যন্ত ভালোবাসায় নিজের পুরুষত্ব নীরার শরীরে প্রবেশ করাতে শুরু করল। নীরা হালকা ব্যথায় আঁতকে উঠে নীলয়কে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। নীলয় তার ঠোঁটে গভীর চুমু দিয়ে তার মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে দিল এবং এক ধাক্কায় নিজেকে পুরোপুরি সুপ্রতিষ্ঠিত করল।

 

পরের মুহূর্ত থেকেই শুরু হলো তাদের আসল বাসর রাতের মাতামাতি। নীলয় গতি বাড়াতে লাগল, আর নীরার সুডৌল শরীরটা বিছানায় ঢেউয়ের মতো দুলতে লাগল। প্রতিটা ধাক্কায় ঘরের খাটটা হালকা শব্দ করছিল, আর সেই শব্দের সাথে মিশে যাচ্ছিল তাদের দুজনের তৃষ্ণার্ত হাঁপানির শব্দ আর নীরার মিষ্টি সুখের আর্তনাদ—"ওফফফ... নীলয়... আরও জোরে... আআাহ্..."।

 

সেদিন রাতে নীলয় আর নীরা কেবল দুটো শরীরের মিলন ঘটায়নি, তারা তাদের ভালোবাসাকে এক চরম পরিণতিতে নিয়ে গিয়েছিল। বাসরের সেই দীর্ঘ ও কামুক রাতটি তাদের দাম্পত্য জীবনের এক নতুন ও কামময় অধ্যায়ের সূচনা করল।

 

বাসর রাতের সেই উন্মাদনার পর নীলয় আর নীরার জীবন এক স্বর্গীয় অনুভূতির মধ্য দিয়ে কাটতে লাগল। বিয়ের পর নীরার প্রতি নীলয়ের অধিকার যেমন পূর্ণতা পেয়েছিল, তেমনি নীরার ভেতরের চঞ্চলতা আর কামুকতা নীলয়কে প্রতিনিয়ত নতুন করে মুগ্ধ করত। নীরা এখন আর কেবল এক শান্ত ছাত্রী নয়, সে একজন পরিপূর্ণ নারী—যে তার স্বামীকে নিজের রূপ আর স্পর্শে প্রতিমুহূর্তে বাঁধতে জানে।

 

গ্রামের পাট চুকিয়ে নীলয় শহরের একটি স্বনামধন্য কলেজে অধ্যাপনার সুযোগ পেল। শহরের প্রাণকেন্দ্রে তারা একটা ছোট কিন্তু সুন্দর ফ্ল্যাট ভাড়া নিল। নীরাকেও শহরের একটি ভালো ভার্সিটিতে ভর্তি করিয়ে দিল নীলয়। পড়াশোনার পাশাপাশি নীরা ঘরের কাজেও বেশ নিপুণ ছিল। তবে তাদের এই নতুন ফ্ল্যাটের চার দেয়াল প্রতিদিনই রূপ নিত তাদের অবাধ ভালোবাসার এক নির্জন দ্বীপে।

 

একদিন বিকেলে নীলয় কলেজ থেকে ফিরে দেখল ঘর অন্ধকার। সে ড্রয়িংরুমের আলো জ্বালাতে যাবে, ঠিক তখনই নীরা পেছন থেকে এসে তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। নীরার গায়ে কেবল একটি পাতলা রেশমি নাইট গাউন, তার ভেতর দিয়ে তার ফর্সা ও সুডৌল শরীরের ভাজগুলো স্পষ্ট ভেসে উঠছিল। গাউনটি এতটাই পাতলা যে নীলয় পিঠের ওপর নীরার উত্তপ্ত বক্ষের স্পর্শ অনুভব করতে পারছিল।

 

"আজ এত তাড়াতাড়ি লাইট জ্বালানোর কী দরকার, প্রফেসর সাহেব?" নীরা নীলয়ের কানে ফিসফিস করে বলল, তার সুবাসিত নিঃশ্বাস নীলয়ের ঘাড়ে আছড়ে পড়ল।

 

নীলয় ঘুরে দাঁড়িয়ে নীরাকে কোমর ধরে কাছে টেনে নিল। "আমার বউটা কি আজ বেশিই চঞ্চল হয়ে উঠেছে?"

 

"বউকে সময় না দিলে বউ তো চঞ্চল হবেই," নীরা কৃত্রিম রাগ দেখিয়ে বলল। সে নীলয়ের টাইয়ের নটটা এক হাত দিয়ে হালকা করে টেনে খুলে ফেলল, তারপর নীলয়ের শার্টের বোতামগুলো একে একে খুলতে লাগল।

 

নীলয় আর কথা বাড়াল না। সে এক ঝটকায় নীরাকে কোলে তুলে নিল। নীরা তার পা দুটো দিয়ে নীলয়ের কোমর পেঁচিয়ে ধরল। নীলয় নীরাকে ধরে সোজা বেডরুমে নিয়ে গেল এবং বিছানার ওপর ফেলে দিল।

 

নাইট গাউনের ফিতাটা অলসভাবে আলগা হয়ে যেতেই নীরার সুডৌল বক্ষযুগল পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়ে গেল। বিকেলের ম্লান আলোয় সেই দৃশ্য নীলয়ের চোখে কামনার দাবানল জ্বেলে দিল। সে নীরাকে কোনো সুযোগ না দিয়ে সরাসরি তার নগ্ন বুকের ওপর মুখ ডুবিয়ে দিল। নীরা আবেশে চোখ বন্ধ করে মাথাটা পেছনে হেলে দিল। সে হাত দিয়ে নীলয়ের চুল চেপে ধরে তাকে নিজের বুকের সাথে আরও শক্ত করে চেপে রাখাল।

 

"উফফ... নীলয়... আহহহ, কতদিন পর তোমাকে এভাবে পাচ্ছি..." নীরা কামাতুর কণ্ঠে কোঁকাতে লাগল।

 

নীলয় এক হাতে নীরার অন্য স্তনটি মাখনের মতো ডলতে ডলতে অন্য হাত দিয়ে তার গাউনটি পুরোপুরি শরীর থেকে আলাদা করে দিল। নীরা এখন নীলয়ের সামনে সম্পূর্ণ অনাবৃত, যেন এক জীবন্ত রূপসী প্রতিমা। নীলয় নিজের পোশাকও নিমেষেই খুলে ফেলে নীরার ওপর চেপে বসল।

 

নীলয়ের জিব তখন নীরার পেটের নাভি থেকে নেমে যাচ্ছিল তার দুই উরুর সংযোগস্থলে। নীরা শিউরে উঠে উরু দুটো আরও চওড়া করে দিল। নীলয় নীরার চরম কামনাকেন্দ্রে নিজের মুখ এনে তার ভেজা ঠোঁট আর জিবের জাদু দেখাতে লাগল।

 

"ওফফফ... নীলয়! মরে যাব... আআাহ্! আর পারছি না... তুমি এত ভালোবাসতে পারো?" নীরা শিউরে উঠে বিছানার চাদর আঁকড়ে ধরে পা দুটো নীলয়ের ঘাড়ের দুপাশে তুলে দিল।

 

নীলয় এবার আর দেরি করল না। সে নিজেকে নীরার কামরসে পিচ্ছিল হয়ে থাকা গভীরতায় প্রবেশ করাল। এক গভীর আর শক্ত ধাক্কায় সে নীরার শরীরে নিজেকে পুরোপুরি সমর্পণ করল। নীরা সুখের চরম শিখরে পৌঁছে নীলয়ের পিঠ নিজের নখ দিয়ে আঁচড়ে দিল।

 

ঘরের ভেতরের শান্ত বাতাস তখন তাদের দুজনের ঘন নিঃশ্বাস আর শরীরের সংঘাতের মিষ্টি শব্দে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। নীলয় গতি বাড়াতে লাগল, আর নীরা প্রতিটা ধাক্কায় নিজের কোমর দুলিয়ে নীলয়কে সঙ্গ দিতে লাগল। তাদের ভালোবাসার এই গতিময় খেলা যেন থামতেই চাইছিল না।

 

দীর্ঘক্ষণ ধরে এক পরম তৃপ্তিকর মিলনের পর দুজনই ঘামে ভিজে একাকার হয়ে বিছানায় শুয়ে পড়ল। নীরা নীলয়ের চওড়া বুকের ওপর মাথা রেখে হাঁপাতে লাগল, আর নীলয় তার ভেজা চুলগুলো আঙুল দিয়ে সরিয়ে দিচ্ছিল।

 

"নীলয়..." নীরা নিচু স্বরে ডাকল।

 

"বলো, আমার রানি," নীলয় নীরার কপালে আদুরে এক চুমু দিল।

 

"আমার মনে হয় আমাদের জীবনে এখন নতুন একজন মেহমান আসার সময় হয়েছে। তুমি কি বাবা হতে চাও না?" নীরা নীলয়ের চোখের দিকে তাকিয়ে বলল।

 

নীলয় নীরাকে আরও শক্ত করে বুকে চেপে ধরল। সে জানত, তাদের এই কামময় আর গভীর ভালোবাসার বন্ধন এবার এক নতুন পূর্ণতার দিকে এগোচ্ছে।

 

নীরা যখন প্রথম জানতে পারল সে সন্তানসম্ভবা, তখন তাদের জীবনের আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে গেল। বিকেলের রোদে ব্যালকনিতে বসে যখন নীলয় নীরাকে দুই বাহুর বেষ্টনীতে ধরে রাখত, তখন নীরার শান্ত পেটের মৃদু উত্তাপ তাদের দুজনকে এক অদ্ভুত মায়ায় জড়িয়ে রাখত। নীলয় এখন নীরার প্রতিটি মুহূর্তের খেয়াল রাখে। গর্ভাবস্থার প্রথম কয়েক মাস নীরাকে নানা ধরনের শারীরিক অস্বস্তির মধ্য দিয়ে যেতে হলেও নীলয়ের ভালোবাসা ও যত্নে সে কখনোই নিজেকে একা মনে করেনি।

 

মাস পেরিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে নীরার শরীরে এক অপূর্ব মাতৃত্বের রূপ ফুটে উঠতে লাগল। তার মেদহীন শরীরটা কিছুটা ভারী হতে শুরু করল, গালে এক সুন্দর মসৃণ আভা এল, আর তার স্তন দুটি আগের চেয়ে অনেক বেশি সুডৌল ও ভারী হয়ে উঠল। স্ত্রীর এই পরিবর্তন নীলয়ের চোখ এড়াত না। দিনের পর দিন নীরাকে আগলে রাখলেও, নীরার এই নতুন মাতৃত্বদীপ্ত রূপ নীলয়ের পুরুষালী মনে বারবার কামনার নতুন ঢেউ তুলত। তবে নীরার সুরক্ষার কথা ভেবে সে নিজেকে সংযত করে রাখত।

 

একদিন রাতে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। বাইরে ঠাণ্ডা হাওয়া আর জানলার কাচে পানির ফোঁটার শব্দ এক অদ্ভুত নির্জন পরিবেশ তৈরি করেছিল। ঘরের ভেতরের আবহাওয়াটা ছিল বেশ উষ্ণ। নীরা একটি ঢিলেঢালা রেশমি ম্যাক্সি পরে বিছানায় হেলান দিয়ে বই পড়ছিল। তার হালকা ফোলা পেট আর নগ্ন উরুর খানিকটা অংশ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল।

 

নীলয় এসে নীরার পাশে বসল। সে আলতো করে হাত রাখল নীরার পেটের ওপর।

 

"আজ আমাদের সন্তান খুব শান্ত, তাই না?" নীলয় মুচকি হেসে বলল।

 

নীরা বইটা পাশে সরিয়ে রেখে নীলয়ের চোখের দিকে তাকাল। সে নীলয়ের চোখের ভেতরের গভীর আকাক্সক্ষাটা স্পষ্ট বুঝতে পারছিল। কতদিন ধরে নীলয় তার শরীর থেকে নিজেকে দূরে রেখেছে, কেবল তার সুরক্ষার কথা চিন্তা করে। নীরা নীলয়ের হাতটা ধরে নিজের উন্নত ও ভারী বুকের ওপর রাখল।

 

"আমি জানি তুমি কতটা নিজেকে চেপে রেখেছ, নীলয়," নীরা ফিসফিস করে বলল, তার গলা সামান্য কেঁপে উঠল। "ডাক্তার তো বলেছেন, সাবধানে থাকলে এই সময়ে শারীরিক মিলনে কোনো সমস্যা নেই। তুমি কি আমাকে আর চাও না?"

 

নীলয় নীরার এই সাহসী এবং তৃষ্ণার্ত প্রশ্ন শুনে আর নিজের আবেগকে ধরে রাখতে পারল না। সে হাঁটু গেড়ে বিছানায় বসল এবং নীরার ম্যাক্সির বোতামগুলো এক এক করে খুলে ফেলল। ম্যাক্সিটা নীরার শরীর থেকে খসে পড়তেই মাতৃত্বের আলোয় উদ্ভাসিত তার অপূর্ব নগ্ন শরীর ভেসে উঠল। গর্ভাবস্থার কারণে নীরার শরীরের প্রতিটি অঙ্গ যেন আরও বেশি আবেদনময়ী আর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল।

 

নীলয় আর দেরি করল না। সে খুব সাবধানে, পরম ভালোবাসায় নীরার স্তনের বোঁটায় মুখ ডুবিয়ে দিল। নীরা আবেশে চোখ বন্ধ করে এক দীর্ঘশ্বাস ফেলল। নীলয়ের চোষন আর আলতো কামড়ে নীরার শরীর আবার সেই চেনা কামনার আগুনে জ্বলে উঠল।

 

"উফফফ... নীলয়... এত ব্যাকুল হয়ে যেও না..." নীরা সুখে কোঁকাতে কোঁকাতে নীলয়ের চুলে হাত বুলাতে লাগল।

 

নীলয় তার মুখ নামিয়ে আনল নীরার ফোলা পেটের ওপর। সেখানে একাধিক আদুরে চুমু দিয়ে সে আরও নিচে নেমে গেল। নীরার উরু দুটো হালকা ছড়িয়ে দিয়ে সে তার ঠোঁট মেলাল নীরার কামরসে পিচ্ছিল হয়ে থাকা কেন্দ্রের সাথে। নীরা শিউরে উঠে বিছানার চাদর খামচে ধরল। নীলয়ের জিবের জাদু নীরাকে যেন এক নতুন জগতে নিয়ে যাচ্ছিল।

 

"আআাহ্... নীলয়! তুমি আমাকে পাগল করে দেবে..." নীরা কামাতুর কণ্ঠে বলে উঠল।

 

নীলয় এবার নিজেকে প্রস্তুত করল। তবে আগের মতো কোনো তাড়া বা উগ্রতা ছিল না। সে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে নীরাকে পাশে কাত করে শুইয়ে দিল, যাতে তার পেটে কোনো চাপ না পড়ে। পেছন থেকে সে নিজের উত্তপ্ত পুরুষত্ব নীরার শরীরে ধীরে ধীরে প্রবেশ করাতে লাগল।

 

নীরার শরীরটা এক ঝটকায় টানটান হয়ে গেল। এক গভীর ও নিরাপদ মিলনের সুখে নীরা চোখ বুজল। নীলয় পিছন থেকে নীরার এক স্তন শক্ত করে ধরে অন্য হাত দিয়ে তার কোমর আঁকড়ে ধরে আস্তে আস্তে গতি বাড়াতে লাগল। প্রতিটা নিপুণ আর গভীর ধাক্কায় নীরা সুখে আঁতকে উঠছিল—"ওফফফ... নীলয়... খুব আরাম হচ্ছে... এভাবে করো... আআাহ্..."

 

বৃষ্টির রাতের সেই নির্জন ঘরে তাদের শরীরের ভেজা শব্দ আর আবেশে ভরা গোঙানি এক মধুর পরিবেশ তৈরি করল। তারা দুজন যেন এক নতুন উপায়ে একে অপরকে আবিষ্কার করল। এই মিলন কেবল কামনার ছিল না, এতে মিশে ছিল পরম ভালোবাসা, যত্ন আর তাদের অনাগত সন্তানের প্রতি স্নেহ।

 

দীর্ঘক্ষণ ধরে এই মধুর ও সতর্ক মিলনের পর দুজনেই সুখের চরম সীমায় পৌঁছে একসাথে শান্ত হলো। নীলয় নীরাকে শক্ত করে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে তার ঘাড়ে ঠোঁট গুঁজে দিল। নীরা নীলয়ের হাতের ওপর নিজের হাত রেখে এক শান্তিতে চোখ বুজল। তাদের এই বন্ধন এখন আরও দৃঢ়, যা খুব শিগগিরই এক নতুন জীবনের আগমনে পূর্ণতা পেতে চলেছে।

 

কয়েক মাস পরের কথা। হাসপাতালের করিডোরে অস্থিরভাবে পাইচারি করছিল নীলয়। তার কপালে চিন্তার ভাঁজ, গায়ে শার্টের হাতা গোটানো। ভেতরে নীরা চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে। প্রতিটি সেকেন্ড যেন নীলয়ের কাছে এক একটি যুগের মতো মনে হচ্ছিল। ঠিক তখনই ভেতর থেকে ভেসে এলো একটি শিশুর তীব্র কান্নার শব্দ। নীলয় থমকে দাঁড়াল। তার চোখ দুটো আনন্দের জলে ভিজে উঠল।

 

কিছুক্ষণ পর নার্স তোয়ালে পেঁচানো ছোট্ট এক দেবদূতকে নীলয়ের কোলে তুলে দিল। তোয়ালের ভাঁজে গোলগাল এক ফুটফুটে কন্যাসন্তান। নীলয় তার মেয়েকে প্রথমবার কোলে নিয়ে পরম মমতায় তার কপালে নিজের ঠোঁট ছোঁয়াল। রক্তমাংসের এই ছোট্ট প্রাণটি যেন তাদের সমস্ত গোপন প্রেম, সংগ্রাম আর অগাধ ভালোবাসার এক জীবন্ত রূপ।

 

প্যাডেল পার হয়ে নীলয় যখন কেবিনে ঢুকলো, দেখল নীরা বিছানায় ক্লান্ত হয়ে শুয়ে আছে। তবে তার মুখে এক পরম তৃপ্তির স্বর্গীয় হাসি। নীলয় মেয়ের সাথে সাথে নীরার কপালেও গভীর এক চুমু দিল।

 

"ধন্যবাদ নীরা, আমাকে একজন পূর্ণাঙ্গ পুরুষ আর বাবা বানানোর জন্য," নীলয় আবেগে থমথমে গলায় বলল।

 

নীরা নীলয়ের হাতটা ধরে নিজের গালে চেপে ধরল। "আমাদের ভালোবাসা পূর্ণতা পেল, নীলয়।"

 

কয়েকটি বছর কেটে গেল দেখতে দেখতে। শহরের কোলাহল পেরিয়ে নদীর ধারের এক মনোরম সবুজ পরিবেশে নীলয় ও নীরা তাদের ছোট্ট সংসার সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুলেছে। নীলয় এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, আর নীরাও তার মাস্টার্স সম্পন্ন করে নিজের একটা বুটিক ব্যবসা শুরু করেছে। তাদের মেয়ে 'নাবিল' এখন বেশ বড় হয়েছে, ঘরের চারপাশ তার মিষ্টি চঞ্চলতায় মুখরিত থাকে।

 

এক ছুটির দিনে মেয়েকে নানাবাড়িতে রেখে নীলয় আর নীরা নিজেদের একটু একান্ত সময় কাটানোর সুযোগ পেল। বিকেলের রোদ যখন নদীর জলে সোনালি রঙ ছিটিয়ে দিচ্ছিল, নীরা ব্যালকনিতে এসে দাঁড়াল। তার পরনে একটি গাঢ় নীল রঙের জামদানি শাড়ি, চুলে আলতো খোঁপা।

 

নীলয় পেছন থেকে এসে নীরাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরল। তার চিবুক গিয়ে ঠেকলো নীরার খোলা কাঁধে।

 

"আজও তোমাকে সেই প্রথম দিনের মতোই মিষ্টি লাগছে, ম্যাডাম," নীলয় কানের কাছে ফিসফিস করে বলল।

 

নীরা মুচকি হেসে ঘাড় বাঁকিয়ে নীলয়ের দিকে তাকাল। "এখনও আমার মোহে আটকে আছেন, স্যার?"

 

"এই মোহ থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো ইচ্ছা আমার নেই," বলেই নীলয় নীরাকে ঘুরিয়ে নিজের দিকে মুখ করে দাঁড় করাল।

 

নীলয় নীরার পিঠটা ব্যালকনির রেলিংয়ের সাথে চেপে ধরল। বিকেলের নরম হাওয়ায় নীরার শাড়ির আঁচল উড়ে গেল। নীলয় আর কথা না বাড়িয়ে নীরার টকটকে লাল ঠোঁটে নিজের ঠোঁট মেলাল। এতদিন পেরিয়ে গেলেও তাদের ভালোবাসার উত্তাপ আর কামনার আগুন এতটুকু কমেনি, বরং সময়ের সাথে তা আরও গভীর ও পরিণত হয়েছে।

 

নীলয়ের হাত নীরার পাতলা কোমর বেয়ে তার ব্লাউজের ভেতরের উত্তপ্ত পিঠে খেলা করতে লাগল। নীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার দুহাত দিয়ে নীলয়ের ঘাড় পেঁচিয়ে ধরে নিজেকে নীলয়ের শক্ত বাহুবন্ধনে সমর্পণ করল। তাদের গভীর চুমুর সাথে মিশে যেতে লাগল নদীর ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মিষ্টি হাওয়ার শব্দ।

 

একদা যে সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল এক শিক্ষক আর ছাত্রীর ভয় ও দ্বিধায় ঘেরা গোপন আকর্ষণে, সমস্ত সামাজিক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে আজ তা এক সফল, সুখী এবং গভীর অনুরাগে ভরা দাম্পত্যে পরিণত হয়েছে। নীলয় আর নীরার ভালোবাসার এই গল্পটি কেবল দুটি শরীরের মিলন ছিল না; তা ছিল দুটি আত্মার এক অনন্ত, তৃপ্তিময় এবং চিরন্তন যাত্রা।

....
👁 15